মুশতাকের মৃত্যু: যুক্তরাষ্ট্রসহ ১৩ দূতের উদ্বেগ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কারাবন্দি অবস্থায় লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যুর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ ১৩টি কূটনৈতিক মিশনের প্রধানরা।

শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) এক যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেছেন, মুশতাকের মৃত্যুর ঘটনার সার্বিক বিষয়ের দ্রুত, স্বচ্ছ ও স্বাধীন তদন্তের জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আমরা আহ্বান জানাই।

বিবৃতিদাতারা হলেন, মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল আর মিলার, ব্রিটিশ হাই কমিশনার রবার্ট ডিকসন, কানাডীয় হাই কমিশনার বেনোয়া প্রিফঁতেন, ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত উইনি এস্ট্রাপ পিটারসেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত রেনজি টিরিংক, ফরাসি রাষ্ট্রদূত জ্যাঁ মারিও সুশো, জার্মান রাষ্ট্রদূত পিটার ফারেনহল্টৎস, ইতালির রাষ্ট্রদূত ইতালির নতুন রাষ্ট্রদূত এনরিকো নানজিয়াতা, নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত হ্যারি ভারউইজ, নরওয়ের রাষ্ট্রদূত এসপেন রিকটার ভেন্ডসেন, স্পেনের রাষ্ট্রদূত ফ্যান্সিসকো দে এসিস বেনিতেজ, সুইডিশ রাষ্ট্রদূত অ্যালেসান্দ্রা বের্গ ফন লিনডে এবং সুইস রাষ্ট্রদূত নাতালি শিয়ার।

বিবৃতিতে তারা বলেছেন, মুশতাক আহমেদ গত বছরের ৫ মে থেকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে বিচারাধীন মামলায় কারাগারে আটক ছিলেন। আমরা মনে করি বিভিন্ন সময়ে তার জামিন আবেদন নাকচ করা হয়েছে, যার ফলে কারান্তরীণ অবস্থায় তার উপযুক্ত চিকিৎসা প্রাপ্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আমরা তার পরিবার ও বন্ধুদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করছি। সেই সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখার আহ্বান জানাই।

উল্লেখ্য, রমনা মডেল থানার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় গত বছরের ৬ মে ঢাকা জেলে এবং পরে ২৪ আগস্ট থেকে কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি ছিলেন লেখক মুশতাক আহমদ। বৃহস্পতিবার রাতে তিনি কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যান।

কূটনীতিকদের বিবৃতিতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বিভিন্ন ধারা সম্পর্কে উদ্বেগের কথা তুলে ধরে বলা হয়, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ধারাসমূহ ও তার বাস্তবায়ন এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের ও মানের সঙ্গে এর সঙ্গতি বিধান নিয়ে বড় ধরনের উদ্বেগ রয়েছে, তা নিয়ে আমরা সরকারের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকব।