কুয়াকাটা সৈকতে শামুক-ঝিনুকের জায়গায় প্লাস্টিক বর্জ্য!



আব্দুস সালাম আরিফ, বার্তা২৪.কম, পটুয়াখালী
কুয়াকাটা সৈকতে শামুক-ঝিনুকের জায়গায় প্লাস্টিক বর্জ্য!

কুয়াকাটা সৈকতে শামুক-ঝিনুকের জায়গায় প্লাস্টিক বর্জ্য!

  • Font increase
  • Font Decrease

কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না প্লাস্টিক বর্জ্য। এমনকি বিধি-নিষেধ জারি করেও থামছে না পলিথিন ও প্লাস্টিক দূষণ। প্লাস্টিক দূষণ এখন শহরের গন্ডি পেড়িয়ে সমুদ্র সৈকতে পৌঁছেছে। ফলে পলিথিন ও প্লাস্টিক দূষণ এখনই বন্ধ করতে না পারলে উপকূলের জীববৈচিত্র ও পর্যটন শিল্পের জন্য তা মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।

কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের বিশালতা মানুষকে যেমন মুগ্ধ করে তেমনি  অনেকেই সেখানে প্রশান্তি খোঁজেন। তবে প্রকৃতির এই অপার সম্ভাবনাময় স্থানটি দখল করে নিচ্ছে প্লাস্টিক ও পলিথিন বর্জ্য। পর্যটক এবং স্থানীয়দের ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের প্লাস্টিকের বোতল, চিপস কিংবা বিস্কুটের খালি প্যাকেট, পলিথিন এবং জুসের বোতলে ভরে গেছে সৈকত। যত্রতত্র এসব বর্জ্য ছড়িয়ে থাকছে।

এসব বর্জ্য সমুদ্র সৈকত ও সমুদ্র এলকার জীব বৈচিত্রের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে বিভিন্ন প্রজাতির শামুক, ঝিনুক, কাঁকড়া ও কচ্ছপের বংশ বিস্তার এবং প্রজনন কার্যক্রম বাঁধাগ্রস্থ হচ্ছে। তবে এ নিয়ে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তেমন কোনও মাথা ব্যাথা নেই বললেই চলে।

প্রায় ২২ কিলোমিটার দীর্ঘ কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার জন্য নির্দিষ্ট কোনও সংস্থা বা লোকবল নেই। ফলে মাঝে মধ্যে ফটোশেসনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ সৈকত পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম।

এ বিষয়ে পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ও কুয়াকাটা বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভাপতি মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘সমুদ্র সৈকতের পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার জন্য মূলত কুয়াকাটা পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা কাজ করেন। এ ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক ও সেচ্ছাসেবী সংগঠনের পক্ষ থেকেও কাজ করা হয়। ফলে সাম্প্রতিক সময়ে এ পরিস্থিতির অনেকটা উন্নতি হয়েছে। এর পরও আমাদের সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে সকলকেই সমুদ্র সৈকতের সৌন্দর্য এবং পরিবেশ ঠিক রাখতে সচেতন হওয়া প্রয়োজন।’