ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে করলার চা!



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম
তেতো করলার চা আমাদের ইমিউনিটি এবং দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। ছবি: সংগৃহীত

তেতো করলার চা আমাদের ইমিউনিটি এবং দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

করলা অনেকরই চরম অপছন্দ। কিন্তু করলার রয়েছে প্রচুর পুষ্টিগুণ। বিভিন্ন স্মুদি ও সবজির জুসের পুষ্টিগুণ বৃদ্ধির জন্য করলা মেশানো হয়ে থাকে। এটি রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। এছাড়াও লিভার পরিষ্কার ও ওজন নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে করলা। করলার উপকারিতা লাভের আরও একটি উপায় হলো করলার তেতো চা পান করা।

করলার চায়ের পুষ্টিগুণ:

শুকনো করলার টুকরাকে পানিতে ভিজিয়ে রেখে চা তৈরি হয় এবং ওষুধ হিসেবে বিক্রি হয়। এটি গুঁড়ো বা নির্যাস হিসেবেও বাজারে পাওয়া যায়। এই চা করলার পাতা, ফল এবং বীজ দিয়েও তৈরি করা যায়। নীচে এর কিছু উপকারিতা দেওয়া হল।

১. রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ:
প্রাচীনকাল থেকেই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে করলার ব্যবহার হয়ে আসছে। করলার চা রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।

২. রক্তে কোলেস্টেরল কমায়:
এই চা রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে শরীর সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

৩. লিভার পরিষ্কার রাখে:
লিভার ডিটক্স করতে সাহায্য করে ফলে বদহজম রোধ করে।

৪. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়:
এই চায়ে উপস্থিত ভিটামিন সি  কোনো ইনফেকশনের হাত থেকে রক্ষা করে ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

৫. দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে:
করলা চায়ে উপস্থিত ভিটামিন এ চোখ ভালো রাখে।

করলার চা তৈরির পদ্ধতি:

সহজেই বানানো যায় করলার তেতো চা। কিছু শুকনো বা তাজা করলার টুকরো, পানি এবং মিষ্টির জন্য স্বাদ মতো মধু নিন। করলা গাছের পাতাও ব্যবহার করা যায়। তবে করলা সহজলভ্য তাই করলা ব্যবহার করুন। পানি ফুটিয়ে তার মধ্যে শুকনো করলার টুকরো দিয়ে ১০ মিনিট মাঝারি আঁচে ফোটান যাতে করলার সমস্ত পুষ্টিদ্রব্য পানিতে মিশে যায়। চুলা থেকে নামিয়ে আরও কিছুক্ষণ ঢেকে রাখুন। এরপর কাপে চা ছেঁকে নিন এবং মিষ্টির জন্য মধু মেশান। আপনার করলার চা তৈরি। তবে রক্তে সুগার নিয়ন্ত্রণে এই চা খেলে মিষ্টি ব্যবহার করবেন না।